4 জন পড়েছেন
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কর্মসূচি চলমান থাকা একই দিনে বিরামপুরে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশে নোংরা পানি প্রবাহ ও আংশিক জমে থাকার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে|
শনিবার (৬ জুন) বিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নোংরা পানি প্রবাহিত হয়ে কিছু অংশে জমে শ্যাওলা ও দুর্গন্ধ ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা|
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় চলমান ড্রেন নির্মাণকাজের সময় ময়লাযুক্ত পানি নিষ্কাশনের জন্য পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে| অভিযোগ রয়েছে, ওই পাইপের মাধ্যমে ড্রেনের দুর্গন্ধযুক্ত পানি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পরবর্তীতে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চত্বরে প্রবেশ করছে|
ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভেতরে পানি চলমান থাকলেও কিছু নির্দিষ্ট স্থানে তা জমে দুর্গন্ধ ও শ্যাওলা সৃষ্টি করছে বলে নাম না প্রকাশের অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান|
রোববার দীর্ঘ ছুটির পর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হওয়ার কথা রয়েছে| একই সঙ্গে বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় সেখানে পরীক্ষার কার্যক্রম চলবে|
পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরমান আলীর সাথে মুঠোফোনে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান|
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরীক্ষাকেন্দ্র এলাকার মধ্য দিয়ে নোংরা পানির প্রবাহ শিক্ষার্থীদের চলাচল ও সামগ্রিক পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে| এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা|
এদিকে একই দিনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকরা|জন¯^াস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা কার্যক্রম চললেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি|
বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাঃ রুনা লায়লা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান| তবে শনিবার দুপুর পর্যন্ত জমে থাকা পানি অপসারণ বা বিকল্প নিষ্কাশন ব্যবস্থার দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে স্থানীয়রা জানান|