2 জন পড়েছেন
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর মো. মবিনুল ইসলামের ওপর শিক্ষার্থীদের হামলার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে শিক্ষকদের মৌন মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে|
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়| পরে এটি দিনাজপুর-দশমাইল মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়| পরে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকেরা|
অবস্থান কর্মসূচিতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, সাদা দলের সভাপতি ও কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও আইআরটি পরিচালক ড. আলমগীর হোসেন, সাদা দলের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড.শরীফ মাহমুদ, অ্যাগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের অধ্যাপক ড.সাইফুল হুদা| কর্মসূচির সমাপনী বক্তব্য দেন হাবিপ্রবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. হাসানুজ্জামান রতন|
বক্তারা বলেন, একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার ওপর হামলা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনা| এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না হলে শিক্ষকদের নিরাপত্তা ও ¯^াধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে এবং শিক্ষার ¯^াভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হবে| বিশ্ববিদ্যালয় হবে নিরাপদ শিক্ষার স্থান| শিক্ষকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব| দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা|
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর মো. মবিনুল ইসলাম জানান, গত ২১মে বিশ্ববিদ্যালয় ছুটির পূর্বদিন সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব পালনকালে দুটি হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চলা সংঘর্ষ থামাতে গেলে কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থীর হামলায় আমি আহত হয়| শিক্ষার্থীদের ওই মারামারির ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে|
উল্লেখ্য, গত ২১মে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নূর হোসেন হল এবং আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়| এসময় সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি পক্ষের হামলার শিকার হন বিশ্ববিদ্যায়ের সহকারী প্রক্টর ও উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মবিনুল ইসলাম| এতে তার নাক এবং চোখে গুরুতর জখম হয়| এ সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩১ জনকে বহিষ্কার, এবং ৭ জন আসামীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১২০জনের বিরুদ্ধে মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন|