Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনায় সুশাসন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের নিবন্ধিত ও বৈধ ৩ হাজার মোটরসাইকেল চালকের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুয়েল কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনায় সুশাসন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের নিবন্ধিত ও বৈধ ৩ হাজার মোটরসাইকেল চালকের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুয়েল কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। মূলত জ্বালানি তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের সুশৃঙ্খল তদারকি নিশ্চিত করতে গত ১৬ এপ্রিল থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। শুধুমাত্র চিরিরবন্দর উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দারা এই বিশেষ কার্ডের জন্য আবেদনের সুযোগ পেয়েছেন।
প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অফিস চলাকালীন সময়ে চালকদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে সংগৃহীত তথ্য কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই শেষে ৩ হাজার বৈধ চালককে এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এই কার্ডের মাধ্যমে এখন থেকে তেলের পরিমাণ ও চালকের তথ্য রেকর্ড রাখা সম্ভব হবে।এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে চিরিরবন্দরের কোনো ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো যানবাহনে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে না। এই আদেশ অমান্য করে কোনো পাম্প মালিক পেট্রোল বা অকটেন সরবরাহ করলে তাঁদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের ফলে পাম্পগুলোতে তেলের অপচয় ও অনিয়ম কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তেলের মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থার ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড প্রথা চালু করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় একই ব্যক্তি বারবার তেল সংগ্রহ করে মজুত করার চেষ্টা করেন, ফুয়েল কার্ড ব্যবহারের ফলে সেই সুযোগ আর থাকবে না। মঙ্গলবার সকাল থেকেই উপজেলার প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে এই নির্দেশনা কার্যকর করতে তদারকি টিম মাঠে থাকবে। সাধারণ মোটরসাইকেল চালকরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং মনে করছেন এর ফলে পাম্পে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি থেকেও তারা মুক্তি পাবেন।
আমাদের চিরিরবন্দর প্রতিনিধি এনামুল মবিন সবুজের পাঠানো তথ্য থেকে জানা গেছে, কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে বিকেল থেকেই উপজেলা পরিষদে চালকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রশাসন থেকে স্বচ্ছতার সাথে এই কার্ড বিতরণ করায় স্থানীয়রা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আগামী দিনে যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে পর্যায়ক্রমে আরও ফুয়েল কার্ড ইস্যু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে উপজেলায় জ্বালানি তেলের সঠিক ব্যবহারের একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ।
কোন ভিডিও পাওয়া যায়নি