7 জন পড়েছেন
দিনাজপুরে জেলা জামায়াতের আয়োজনে ২৮ জুন ২০২৬ রোববার দুপুরে জেলা জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে বিশেষ দায়িত্বশীল বৈঠक অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠিত বিশেষ দায়িত্বশীল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল টীম সদস্য ফকীহ মাওলানা আব্দুল হাকিম।
অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল বৈঠকে দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান -এর সভাপতিত্বে এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোঃ রাজিবুর রহমান পলাশ, সাইদুল ইসলাম সৈকত, জেলা বাইতুলমাল সম্পাদক অধ্যাপক আ স ম ইব্রাহিম, শহর আমির মাওলানা সিরাজুস সালেহীন ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আংশিক এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করার অঙ্গীকার নিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ এবং কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া জামায়াতে ইসলামীর অসংখ্য নেতাকর্মী, যুবসমাজ এবং বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীলদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে যারা বিভিন্নভাবে অবদান রেখেছেন বা শাহাদাত বরণ করেছেন (যেমন শেরপুর ও সুন্দরগঞ্জের ভাইদের কথা উল্লেখ করা হয়) তাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়।
নির্বাচন পরবর্তী সময়ে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ নতুন বাংলাদেশ গঠনে সংস্কার ও সংবিধান সংশোধনের পক্ষে মত দিয়েছে। এর বিপরীতে গিয়ে জনগণের রায়কে ভিন্নখাতে নেওয়াকে জনগণের সাথে প্রতারণা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। জুলাই সনদ বা চুক্তিগুলো যাতে যথাযথভাবে কার্যকর করা হয়, সেজন্য সংস্কার কমিশন গঠনের পক্ষে জোর দেওয়া হয়।
বক্তব্যের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল বিএনপি এবং অন্যান্য দলের সংস্কার প্রস্তাবের বিষয়। বিশেষ করে, সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় গঠনের যে অধ্যাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জারি করেছিল, তা কার্যকর হওয়ার পরও বর্তমান সরকার তা বাতিল করে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে যুক্ত করায় ক্ষোভ ও তীব্র সমালোচনা প্রকাশ করা হয়। একে এক ধরণের লিখিত প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
২০০৯ সালে জাতীয় নির্বাচনের এক সপ্তাহের মধ্যেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। একইভাবে ২০১৪ সালেও নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছিল।
এবারও জনগণের বড় প্রত্যাশা ছিল যে জাতীয় নির্বাচনের আগেই যেন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়।
সরকার জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী স্থানীয় নির্বাচন না দিয়ে বরং ভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
দেশের অনেক জেলায়, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন, সরকার দলীয় স্বার্থ রক্ষার্থে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাদেরকেই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।