Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
পঞ্চাশ শয্যার জনবল আর অবকাঠামো নিয়ে সামাল দিতে হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ রোগী| ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপে ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম স্থানীয় সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা| ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৯৪জন ইনডোর রোগী| ফলে তিল ধারণের ঠাঁই নেই ওয়ার্ডগুলোতে| শয্যা না পেয়ে অনেক রোগীকে হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে|
পঞ্চাশ শয্যার জনবল আর অবকাঠামো নিয়ে সামাল দিতে হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ রোগী| ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপে ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম স্থানীয় সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা| ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৯৪জন ইনডোর রোগী| ফলে তিল ধারণের ঠাঁই নেই ওয়ার্ডগুলোতে| শয্যা না পেয়ে অনেক রোগীকে হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে| আর এই বিপুল সংখ্যক রোগীকে দিন-রাত সেবা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা| শনিবার ৪জুলাই হাসপাতালটি সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় এক চরম বিপন্ন চিত্র| পুরুষ, মহিলা ও শিশু ওয়ার্ডের কোনো শয্যাই খালি নেই| ওয়ার্ডের সীমানা পেরিয়ে বারান্দার মেঝেতেও সারিবদ্ধভাবে শুয়ে আছেন রোগীরা| হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ঋতু পরিবর্তনে গরমে ডায়রিয়া বা ডেঙ্গু-স্থানীয় কারণ জনিত রোগের প্রকোপ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে রোগীর ভিড় কয়েক গুণ বেড়েছে| ৫০ শয্যার বিপরীতে ৯৪ জন রোগী ভর্তি থাকায় নার্স ও চিকিৎসকদের কাজের চাপ ¯^াভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ হয়ে গেছে| মেঝেতে আশ্রয় নেওয়া এক রোগীর ¯^জন ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, "শয্যা না পেয়ে বাধ্য হয়ে মেঝেতেই বিছানা পেতেছি| ডাক্তার-নার্সরা চেষ্টা করছেন, কিন্তু রোগীর সংখ্যা এত বেশি যে তারা ডাকলে সময়মতো আসতে পারছেন না|"
কোন ভিডিও পাওয়া যায়নি