Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা সদরসহ ৬টি ইউনিয়নে দিন দিন কমছে আবাদী জমির পরিমাণ। এর ফলে ভূমিহীন কৃষকের সংখ্যাও বাড়ছে এই উপজেলায়।
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা সদরসহ ৬টি ইউনিয়নে দিন দিন কমছে আবাদী জমির পরিমাণ। এর ফলে ভূমিহীন কৃষকের সংখ্যাও বাড়ছে এই উপজেলায়। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই উপজেলায় ভূমিহীন চাষী রয়েছে প্রায় ৪ হাজারের মতো। আর আবাদ যোগ্য জমির পরিমান রয়েছে ১৭ হাজার ৫শত ৬ হেক্টর জমি। এর মধ্যে ইট ভাটার জমির পরিমান ১০ হেক্টর কাগজে কলমে দেখালেও কিন্তু বাস্ত্মবে ৩০ হেক্টরের ও বেশি জমিতে ইট ভাটা রয়েছে। আবার অনেকেই মনে করছেন, এই উপজেলায় চাষাবাদ যোগ্য জমিতে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তিরা পরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন এবং অর্থেরও লোভে পড়ে জমির মাটি বিক্রির কারণে আবাদী জমির পরিমাণ দিন দিন কমতে শুরম্ন করেছে। অত্র উপজেলায় দিন দিন আবাদ যোগ্য জমি কমে যাওয়ার কারণে অনেক কৃষক এখন ভূমিহীন হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই আবার ফসল ফলিয়ে ফসলের ন্যায মূল্য না পেয়ে লোকসান হওয়ার কারণে সেই লোকসানের ÿতি পূরণ করতে অনেকেই জমি বিক্রি করে দিতে দেখা যাচ্ছে। এক পর্যায়ে লোকসানের বোঝা ও মহাজনদের ধার-দেনা পরিশোধ না করতে পেরে ও সংসারের নিত্যদিন অভাব অনটনের কারণে জমি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন । সেই কারণে দিন দিন ভূমিহীনদের সংখ্যাও বেড়ে চলছে। অপর দিকে বড় বড় কৃষকেরা অনেকেই শহর মূখী হচ্ছে। কেউ কেউ তাদের ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যতের কথা চিন্ত্মা করে জমি বিক্রি করে জেলা শহরে বাড়ী তৈরি করে বসবাস করতে দেখা যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ জমি বিক্রি করে ব্যবসা করছেন। অন্যদিকে বড় কৃষকেরা অনেক সময় নিজের জমি চাষ না করে জমি বর্গা দিচ্ছেন ফলে ধনী কৃষকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এক সময় কাহারোল উপজেলা নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে খাদ্য শষ্য সরবরাহ করতো কিন্তু বর্তমানে আবাদী জমির পরিমাণ কমায় অদূর ভবিষ্যতে এ উপজেলা খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা করছেন অনেকজনেই। এদিকে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ জাহিদুর রহমান জানান, জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশা-পাশি আবাসনও বেড়েছে। আবাসন সংকট সমাধান ও ফসলী জমিতে দিন দিন নির্মাণাধীন অবকাঠামো গড়ে উঠা সহ বিভিন্ন কারণে আবাদী জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে এবং ধনী কৃষকেরাও জমি বিক্রি করে শহর-মূখী হচ্ছেন অনেকেই।
কোন ভিডিও পাওয়া যায়নি