পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, “দেশের জন্য ব্যবহার করতে হবে, জনগণের জন্য ব্যবহার করতে হবে। নির্বাচিত সরকারের জন্য এটি একটি বড় দায়িত্ব। কারণ, নির্বাচিত সরকারের জবাবদিহি রয়েছে।”
বিগত সরকারের সমালোচনা করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, সে সময় সরকারের কোনো জবাবদিহি ছিল না। যখন যা প্রয়োজন মনে হয়েছে, তখন তা-ই করা হয়েছে। এভাবে স্বর্ণ ব্যবসায়ী, অন্যান্য ব্যবসায়ী কিংবা সাধারণ মানুষ কেউই উপকৃত হননি।
তিনি আরও বলেন, ভোটের অধিকারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য তাঁদের আন্দোলন করতে হয়েছে। গণতন্ত্রের ভিত্তি যত শক্তিশালী হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ব্যবসায়ীদের অবস্থানও তত মজবুত হবে।
ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে দেশপ্রেম ও দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ্যানি বলেন, শুধু সরকার দেশপ্রেমিক হলে চলবে না, সবাইকে দেশপ্রেমিক হতে হবে এবং নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
বাজুসের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এনামুল হক খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের চেয়ারম্যান সমীর কর্মকার।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ডিস্ট্রিক্ট মনিটরিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট আজাদ আহমেদ, বাজুস ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন, বাজুস নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মানিক, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর মজুমদার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথ ও সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহাসহ অনেকে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন