Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
প্রথম কাব্য “ভোরের অন্বেষণ”এআই যুগে মানুষ হচ্ছে প্রযুক্তি নির্ভর। মানুষ স্বকীয় চিন্তা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সৃজনশীল প্রতিভা বিকশিত হচ্ছে না। এমনকি ছোট্ট শিশুরাও স্মার্ট মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে চোখ ও বুদ্ধি ডুবিয়ে আছে। ঠিক সেই সময়ে ভোরের অন্বেষণ করছে ছোট্ট শিশু কবি উদ্দীপ্তা রায় মহুয়া।
প্রথম কাব্য “ভোরের অন্বেষণ”এআই যুগে মানুষ হচ্ছে প্রযুক্তি নির্ভর। মানুষ স্বকীয় চিন্তা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সৃজনশীল প্রতিভা বিকশিত হচ্ছে না। এমনকি ছোট্ট শিশুরাও স্মার্ট মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে চোখ ও বুদ্ধি ডুবিয়ে আছে। ঠিক সেই সময়ে ভোরের অন্বেষণ করছে ছোট্ট শিশু কবি উদ্দীপ্তা রায় মহুয়া। মাত্র দশ বছর বয়সে কবিতা লেখা শুরু। ১১ বছর বয়সে তার প্রথম কাব্য ‘ভোরের অন্বেষণ’ প্রকাশিত হয় কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায়। বইটি প্রকাশনার দায়িত্বে ছিল ‘অন্বেষণ পাবলিকেশন্স’।সমাজ, ধর্ম, মানবতা, দেশ, জাতি, মৃত্যু, গ্রাম বাংলার প্রকৃতি, শিক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন অব্যবস্থাপনাকে ধাক্কা দিয়েছে। তার লেখায় ফুটে উঠেছে অন্ধকারময় সমাজের বাস্তব চিত্র। কালের স্রোতে মানুষ যখন সাহিত্য, সৃষ্টিশীল চিন্তা-চেতনা, নিজস্ব ভাবনার জগত থেকে সরে যাচ্ছে, তখন ভোরের আলোর অপেক্ষায় তৃষ্ণার্ত কিছু পাঠক। ঠিক এমনই সময় পাঠক পেলো নতুন ভোরের সন্ধান। হয়তো এভাবেই নতুন নতুন কবিদের জন্ম হবে। সমাজ ও জাতিকে দেখাবে আলোর পথ।কবি হিসেবে উদ্দীপ্তা রায় মহুয়াা অনেক ছোট। বয়স হিসেবে আরও ছোট কিন্দ তার চিন্তা চেতনাগুলো ছোট নয়, যা বড়দেরও ভাবিয়ে তুলে। তাই তার সৃষ্টি কর্মগুলো পাঠক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। উদ্দীপ্তা যখন সেন্ট ম্যাথিউসইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ৫ম শ্রেণিতে পড়ে তখনই কবিতা লেখা শুরু। তার প্রতিভা দেখে শিক্ষকরা বেশ উৎসাহ দেন। স্কুলে গান, নাচ, আবৃত্তি, খেলাধুলা, উপস্থিত বক্তৃতা, বির্তক প্রতিযোগিতা, পড়ালেখা ও তার আচরণে শিক্ষকগণ বিমোহিত।শিশুকবি মহুয়া “শিশুকাল” কবিতায় তার শৈশবের কথা তুলে ধরেছে। এ কবিতায় সে শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মায়ের বকুনি, বন্ধুদের সাথে খেলা-ধুলা, মারামারি, মেলায় বেড়ানো, দল বেঁধে কাজ করা ইত্যাদি তুলে ধরেছে। আবার মজার বিষয় “শিশুকাল” কবিতার শেষ চরণে বলছে মনে পড়ে শিশুকালের যতকিছু। কবি যেখানে এখনো শিশু সেখানে তার চিন্তাগুলো অনেক বড়। মনে হয় কবির বয়স হয়েছে, পরিণত হয়েছে। তার গতি, দ্রুতি, শৈলী দিয়ে সৃষ্টি করে চলেছে একের পর এক কবিতা। ‘সমাজ’ কবিতায় যুবসমাজকে কটাক্ষ করেছে। সমাজের অনাচার, যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ও সমাজ বৈষম্য শিশু মনকে ব্যথিত করেছে। কবি নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখায়। আবার সমাজে শান্তি ফিরে আসবে এই আশা ব্যক্ত করেছে। ছোট ছোট লেখাগুলো সমাজের গভীর ভাব, গ্রাম্য প্রকৃতির মাঝে আনন্দ, শহরের জীবনের নাগরিক যন্ত্রণা তার কাব্যের এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। শহর ছেড়ে তাই বারবার ছুটে গেছে গ্রামে। দাদির হাতের রান্না কতটা উপভোগ্য তা চমৎকারভাবে তুলে ধরেছে। বর্তমান সমাজের শিশুরা দাদির আদর স্নেহ থেকে বঞ্চিত কিংবা শতহাত দূরে। কবি সেখানে দাদির সান্নিধ্যে মাতোয়ারা হয়েছে। বাংলার প্রকৃতি পাখির ডাক, বুনোলতা, গাছপালা, নদী-নালা আর বাউলের সুর হৃদয়ের হৃদয়ের রং তুলিতে ফুটিয়ে তুলেছে বাংলার রূপ। মৃত্যু নিয়ে কবি সৃষ্টি করেছে এক নতুন কবিতা। জীবন সমন্ধে কবির এখনো উপলব্ধি করার বয়স হয়নি সেখানে মৃত্যূকে নিয়ে এক অপূর্ব উপলব্ধি তুলে ধরেছে। অর্থ সম্পদ ছেড়ে কবি মানব জীবনের আসল উদ্দেশ্য সম্র্পকে সচেতন হতে বলেছে। কবির সৃষ্টি অমলিন থাক। যে ভোরের অন্বেষণ করছে তা দ্রুত আসুক। শিশুদের জন্য পৃথিবীটা বাসযোগ্য হোক।
কোন ভিডিও পাওয়া যায়নি